গজারিয়ায় তিতাসের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘণ্টায় ৮ হাজার ঘনফুট গ্যাসের অপচয় বন্ধ!

মুক্ত বাংলাদেশ
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ Last Updated 2026-02-19T17:36:54Z


মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বালুয়াকান্দি এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।


অভিযানটি মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফারহানুল আলম-এর নেতৃত্বে গজারিয়ার বালুয়াকান্দি (মায়ামি রেস্টুরেন্টের বিপরীতে) এলাকায় একটি অবৈধ চুন কারখানা উচ্ছেদ করা হয়।


অভিযানে দেখা যায়, কারখানাটিতে ৪টি বড় ভাট্টি ব্যবহার করে অবৈধভাবে গ্যাস পোড়ানো হচ্ছিল। তিতাস কর্তৃপক্ষ এক্সক্যাভেটর (ভেকু) মেশিনের সাহায্যে কারখানার স্থাপনা ও ৪টি ভাট্টি সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেয়।


তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, বিচ্ছিন্নকৃত এই বাণিজ্যিক সংযোগটির মোট লোড ছিল প্রতি ঘণ্টায় ৮,০০০ ঘনফুট। এই অবৈধ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করার ফলে দৈনিক আনুমানিক ১,৬৩,১০০ (এক লক্ষ তেষট্টি হাজার একশত) টাকার সমপরিমাণ গ্যাস সাশ্রয় হবে বলে জানানো হয়েছে।


অভিযান চলাকালীন কারখানার মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঘটনাস্থলে না পাওয়ায় কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে জেল বা জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। 


তবে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারখানার মালিক ও জমির মালিকের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও গজারিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ ও এফআইআর দাখিল করা হয়েছে।


অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট ইতিমধ্যেই আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। পুনরায় অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের এই নতুন তথ্য ও প্রমাণাদিও আদালতের নজরে আনা হবে।


সরকারি সম্পদ রক্ষায় এবং অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে তিতাস গ্যাসের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।

Comments
মন্তব্য করার ক্ষেত্রে অনুগ্রহ পূর্বক অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ, গালিগালাজ, ব্যাক্তিগত আক্রমণ, নাম বিকৃত করা থেকে বিরত থাকুন।
  • গজারিয়ায় তিতাসের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘণ্টায় ৮ হাজার ঘনফুট গ্যাসের অপচয় বন্ধ!

জনপ্রিয়