শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

আল-মোস্তফা প্রিন্টিংয়ের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও কেন ছাড় পেলেন ২ কর্মকর্তা?

প্রকাশঃ


নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আল-মোস্তফা প্রিন্টিং লিমিটেড নামে একটি কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দিনব্যাপী উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে কারখানার ২ কর্মকর্তাকে আটক করা হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো জরিমানা বা আইনি ব্যবস্থা ছাড়াই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সুহা তাবিল-এর নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট জানান, আল-মোস্তফা প্রিন্টিং কারখানাটি কৌশলে পরিচালনা করা হচ্ছিল। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো কারখানাটি পরিত্যক্ত, কিন্তু ভেতরে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ। 

তিনি আরও বলেন, তিতাস গ্যাসের কারিগরি দল দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর কারখানার ওই অবৈধ গ্যাস সোর্সটি শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরে সেটি স্থায়ীভাবে বন্ধ (কিল) করে দেওয়া হয়েছে। অভিযানে আল-মোস্তফা প্রিন্টিং ছাড়াও একটি অবৈধ চুন কারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং সেটির তিনটি চুল্লি এক্সক্যাভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। 

আল মোস্তফা প্রিন্টিং কোম্পানির দুই কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছিল। তবে কোনো জরিমানা বা সাজা ছাড়াই তাঁদের ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি জানান, অভিযানে মালিক বা ম্যানেজার পর্যায়ের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি।

তিতাস কতৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের নাম ও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ফলে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম অচল হয়ে পড়বে। আগামী সপ্তাহে বা নিকট ভবিষ্যতে পুনরায় অভিযান চালিয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়েছে।

অভিযানে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ও তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কারিগরি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন