শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ।
প্রধানমন্ত্রীর শপথের আগে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। এরপরই রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে ৪৯ সদস্য বিশিষ্ট নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করা হয়। এই মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে, যেখানে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট সদস্যদেরও স্থান দেওয়া হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), নিতাই রায় চৌধুরী, আবদুল আওয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট)।
আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দুন চৌধুরী এ্যানী, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন।
দীপন দেওয়ান, আনম এহসানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
এবারের মন্ত্রিসভায় বেশ কয়েকজন জোটভুক্ত ও তরুণ নেতাকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যুক্ত করে চমক সৃষ্টি করা হয়েছে:এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ।
সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান।
আজিজুল বারি হেলাল, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল। ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত। আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম ও আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট)।
দীর্ঘদিন পর ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও মানুষের ভিড় ছিল লক্ষ্যণীয়। নবনির্বাচিত সরকার দ্রুত অর্থনৈতিক সংস্কার ও সুশাসন নিশ্চিত করবে—এমনটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রধান প্রত্যাশা।

