শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সরকারের পকেট কেটে চুন কারখানা! সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাসের সাম্রাজ্য

প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...


নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি অবৈধ চুন কারখানা এবং ১ হাজার ৩০০ আবাসিক চুলার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৫ মে) দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। তিতাস কর্তৃপক্ষের দাবি, এই সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করার ফলে দৈনিক সরকারের প্রায় ২ লাখ ২ হাজার টাকার গ্যাস সাশ্রয় হবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিল-এর নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানটি সোনারগাঁ উপজেলার নয়াপুর বাজার সংলগ্ন শিকদার বাড়ি, সাদীপুর, পঞ্চমী ঘাট ও নানাখি এলাকায় চালানো হয়।

অভিযান চলাকালীন দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ অবৈধ পাইপলাইন ব্যবহার করে নামমাত্র মূল্যে বা বিনা মূল্যে এসব গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিল। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি-এর কারিগরি দল মাটির নিচে থাকা অবৈধ সংযোগের সোর্স পয়েন্টগুলো স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

অভিযানকালে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করা কারখানার মালিকদের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ কারণে কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে জেল বা জরিমানা করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে অবৈধ সংযোগ ব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিতাস সূত্র জানিয়েছে।

সোনারগাঁ জোনাল অফিসের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সম্পদ রক্ষায় এবং অবৈধ গ্যাস ব্যবহার বন্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। এই অবৈধ সংযোগগুলোর কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।

অভিযানকালে তিতাস গ্যাসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কারিগরি দল এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকাবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কর্মকর্তারা বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ কেবল দণ্ডনীয় অপরাধই নয়, এটি জানমালের জন্য বড় ধরণের ঝুঁকির কারণও বটে।

শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন