মামা-ভাগিনার বিরোধ নির্বাচন নয়, ২০ লাখ টাকার লেনদেন নিয়ে
![]() |
| ছবি; মুক্ত বাংলাদেশ |
৩ জুলাই (শুক্রবার) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, নির্বাচনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নোবেল মীর মূলত তার পাওনা ২০ লাখ টাকা ফাঁকি দেওয়ার জন্য এই ধরনের নোংরা নাটকের আশ্রয় নিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নোবেল মীর আমার আপন ভাগিনা। তার মূল বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। ব্যবসায়িক ও পারিবারিক সূত্রে আমার কাছ থেকে নেওয়া ২০ লাখ টাকা সে দীর্ঘদিন ধরে ফেরত দিচ্ছে না। এখন সেই পাওনা টাকা যাতে দিতে না হয়, সেজন্য সে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ তুলছে।"
তিনি আরও জানান, টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে নোবেল মীর থানায় মিথ্যা অভিযোগ ও জিডি করেছেন।
জাহাঙ্গীর আলম জোর দিয়ে বলেন,আমি তাকে কোনো ধরনের প্রাণনাশের হুমকি দেইনি। সে যে 'চেক চুরি'র গল্প সাজিয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। নিজের দেওয়া চেক দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার পর এখন সেটিকে ১৪ বছর আগের পুরনো চেক বলে গণমাধ্যমে মিথ্যাচার করছে।
জাহাঙ্গীর আলমের এই দাবির পক্ষে সুর মিলিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এই দুই নেতার মধ্যকার বিরোধ আসলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে নয়। মূল ঝামেলাটি দীর্ঘদিনের আর্থিক লেনদেন ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। নির্বাচনকে সামনে এনে ভাগিনা নোবেল মীর মূলত জনমনে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছেন এবং মামার পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার কৌশল খুঁজছেন।
শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনীতি করছেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে আছেন। আসন্ন নির্বাচনে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং পাওনা টাকা আত্মসাতের এই অপচেষ্টাকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়া হচ্ছে। তিনি এই ভিত্তিহীন ও সাজানো অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানান এবং এর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন