স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ আয়ের অর্থ দিয়েই তিনি সম্প্রতি একটি হাইএইচ মডেলের গাড়ি এবং একটি জিক্সার মডেলের মোটরসাইকেল ক্রয় করেছেন। এলাকাবাসীর দাবি অনুযায়ী, চুনা উৎপাদনের ওই কারখানাটি তার নিজ বাড়ির ভেতরেই গড়ে তোলা হয়েছে এবং তা দীর্ঘদিন ধরে গোপনে পরিচালিত হয়ে আসছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “৫ আগস্টের আগেও জাহাঙ্গীরের নুন আনতে পানতা ফুরাতো। অথচ মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে তিনি রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যান। এই হঠাৎ সম্পদের উৎস নিয়েই আমাদের প্রশ্ন।”????
এদিকে স্থানীয় রাজনীতিবিদরা জানান, মো. জাহাঙ্গীর হাসান বর্তমানে বিএনপির বিদ্রোহী নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের কর্মী হিসেবে কাজ করছেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে জাহাঙ্গীরের কেনা গাড়ির ছবি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এতে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—অবৈধ গ্যাস ব্যবহার ও রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে কি না।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মো. জাহাঙ্গীর হাসানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

