ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তা না পাওয়ায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে এই হামলা চালানো হয়। এ সময় আহতদের কাছ থেকে নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
ঘটনার পর আহত আবু সাঈদের স্ত্রী কাজল রেখা বাদী হয়ে সোনারগাঁ পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিমকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আহত নেতাদের দাবি, দলের কিছু ‘নব্য’ কর্মী প্রভাব খাটিয়ে তাদের ড্রেজার ব্যবসায় বাধা সৃষ্টি করছে এবং নিয়মিত চাঁদা দাবি করছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন:"আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একটি পক্ষ রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই নাটক সাজিয়েছে।"
একই দিন সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে হামলার শিকার হন উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রফিক। তিনি অভিযোগ করেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় স্থানীয় বিএনপির একাংশ তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিববুল্লাহ জানান, হামলার পৃথক দুটি অভিযোগই পুলিশ গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে। তিনি বলেন, "লিখিত অভিযোগ ও জিডি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

