জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায়-এর নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, উপজেলার দত্তপাড়া, আদমপুর ও আষাঢ়িয়ার চর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণির অসাধু চক্র অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করে চুন উৎপাদন করে আসছিল। আমাদের টিম মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সেগুলোর গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং কারখানা গুলো এক্সক্যাভেটরের সাহায্যে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, উচ্ছেদকৃত এই ৬টি ভাট্টিতে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১২,০০০ ঘনফুট গ্যাস অবৈধভাবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করার ফলে সরকারের দৈনিক আনুমানিক ২,৪৪,০০০ টাকা মূল্যের গ্যাস সাশ্রয় হবে। এই পরিসংখ্যানটিই বলে দিচ্ছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা কিভাবে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত করছিল।
অভিযান চলাকালীন কারখানা মালিক বা দায়িত্বরত কাউকে পাওয়া না গেলেও তিতাস কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, অবৈধ সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কোনো অপশক্তিকে রাষ্ট্রীয় গ্যাস সম্পদ লুণ্ঠন করতে দেওয়া হবে না।

