নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নে মোবাইল ফোন চুরিকে কেন্দ্র করে এক কিশোরের ছুরিকাঘাতে ৫ জন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নিরব (১৬) নামের এক কিশোরের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের রায়েরটেক এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোর আমিনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মোবাইল ফোন চুরিকে কেন্দ্র করে কিশোর আমিনের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। তর্কের একপর্যায়ে আমিন উত্তেজিত হয়ে তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের ওপর এলোপাতাড়ি আঘাত শুরু করে। আমিনের অতর্কিত হামলায় ঘটনাস্থলেই ৫ জন গুরুতর আহত হন।
আহতরা হলেন, নিরব (১৬),শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষত হওয়ায় তার অবস্থা সংকটাপন্ন। বর্তমানে তিনি ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সুজন (১৭), কাউসার (১৯), সোহান(১৮) ও চঞ্চল(২১),তাদের স্থানীয় ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ছুরিকাঘাতের ঘটনার পরপরই রায়েরটেক এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত আমিনকে তার নিজ বাড়ি থেকে ধরে গণধোলাই দেয় এবং আটকে রাখে। খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আমিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আটককৃত কিশোরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে।

