[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সোনারগাঁয়ে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়, ৩ জনকে কু/পি/য়ে জখম

প্রকাশঃ



নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় এক পরিবারের ওপর বর্বরোচিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। 

মঙ্গলবার  (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগীদের হামলায় একই পরিবারের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ইয়াসমিন বেগম কর্তৃক থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার চিহ্নিত কিছু মাদক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা এবং আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। গত ৯ মার্চ দুপুরে ইয়াসমিন বেগমের স্বামী মোঃ মামুন হাসান বিবাদী সায়েদ খাঁন ওরফে সায়েককে তার ছেলেদের মাদক ব্যবসা ও সেবন থেকে বিরত রাখার অনুরোধ করেন এবং এলাকার যুবসমাজ ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সায়েদ খাঁন মামুন হাসানের সাথে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। এরই জের ধরে পরদিন ১০ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে ধন্দীর বাজার কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় মামুন হাসানের ছেলে মোঃ ইমন হোসেন (২১) ও তার ভাতিজা মোঃ সোহান (২১)-কে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায় বিবাদীরা। হামলার এক পর্যায়ে ইমনের বড় ভাই মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩৫) তাদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১নং বিবাদী সাকিব হত্যার উদ্দেশ্যে ইমনকে লক্ষ্য করে সুইচ গিয়ার (ছুরি) দিয়ে আঘাত করলে তার বাম হাত, কোমর এবং পায়ের উরুতে রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া ৮, ৯ ও ১০ নং বিবাদীদের পিটুনিতে সোহানের ডান হাতের কবজির হাড় ভেঙে যায়। এসময় ধস্তাধস্তিতে বিল্লালের পকেটে থাকা বিকাশের ব্যবসার নগদ ৯৬ হাজার টাকা মাটিতে পড়ে গেলে বিবাদীরা তা ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

হামলায় অভিযুক্তরা হলেন— সাকিব (২৫), মোঃ নজরুল ইসলাম (৫৫), সজিব খাঁন (৪০), সায়েদ খাঁন (৫০), শাকিল (২২), রহম আলী (৫২), মোঃ বাবুল (২৬), আশ্রাফ আলী (২৭), মোবারক মোল্লা (৫০) এবং মোঃ শহিদুল (৪০)। তারা সবাই পার্শ্ববর্তী আড়াইহাজার উপজেলার ধন্দী গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে সাকিব, সায়েদ ও শাকিল সরাসরি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে এলাকাবাসীর দাবি।

বাদিনী ইয়াসমিন বেগম বলেন, বিবাদীরা অত্যন্ত দুর্ধর্ষ প্রকৃতির। তারা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। আমার ছেলেরা এখন হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও বিবাদীরা তা মানতে নারাজ এবং উল্টো আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।

সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিবুল্লাহ বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন