সোনারগাঁয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
![]() |
| ছবি; মুক্ত বাংলাদেশ |
রবিবার (৩১ মে) দুপুরে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ভাদুড়িকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহত তৃষা ওই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক রয়েছেন।
অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, তৃষার বোনকে আনতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তার শ্বশুরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তৃষা নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দেন। দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের চালার কাঠের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্বামী সোহাগ ও স্বজনরা তাকে নামিয়ে আনলে তিনি আর জীবিত ছিলেন না।
খবর পেয়ে সোনারগাঁ তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত তৃষার মামা জামাল হোসেনের দাবি, ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে সোহাগের সঙ্গে তৃষার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের কোনো সন্তান হয়নি। এ বিষয়টি নিয়ে পরিবারে বিরোধ চলছিল। ঝগড়ার একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়। তবে আত্মহত্যার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। ঘটনার পর স্বামী পালিয়ে যান।
সোনারগাঁ তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন