প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নেয়ামত উল্লাহর
![]() |
| ছবি; মুক্ত বাংলাদেশ |
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর এলাকায় অবৈধ চুন কারখানা পরিচালনা এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গ্যাস চুরির অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী নেয়ামত উল্লাহ। প্রকাশিত সংবাদটিকে 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন' দাবি করে তিনি বলেছেন, চুন কারখানার মালিকানা বা গ্যাস সংযোগের সাথে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।
সোমবার (৮ জুন) এক লিখিত বিবৃতিতে নেয়ামত উল্লাহ সংবাদে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রকৃত সত্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে নেয়ামত উল্লাহ জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পিরোজপুর এলাকায় জঙ্গলঘেরা যে চুন কারখানার কথা বলা হচ্ছে, সেটি তিনি বা তার পরিবারের কেউ পরিচালনা করেন না। চিটাগাং রোড এক ব্যবসায়ী তার এবং তার ভাইদের কাছ থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ওই জমিটি ভাড়া নিয়েছেন।
নেয়ামত উল্লাহ বলেন, জমির মালিক হিসেবে আমরা শুধু চুক্তি অনুযায়ী ভাড়া পাই। সেখানে ভাড়াটিয়া কী ব্যবসা করছেন বা কীভাবে গ্যাস ব্যবহার করছেন, তার অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কারখানার গ্যাস সংযোগের দায় সম্পূর্ণ ভাড়াটিয়া কর্তৃপক্ষের।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ থেকে রাতারাতি 'বিএনপি' সেজে প্রভাব বিস্তারের যে অভিযোগ উঠেছে, তাকে সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মানহানিকর বলে দাবি করেন নেয়ামত উল্লাহ। তিনি বলেন, কোনো অবৈধ ব্যবসার সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে তিনি রাজনৈতিক রঙবদল করেননি এবং তিতাস গ্যাসের কোনো অসাধু চক্রকে মাসোহারা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। স্থানীয় একটি পক্ষ ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতে সাংবাদিকদের ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছে।
তিতাস গ্যাস মেঘনা জোনের কর্মকর্তাদের দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রকৃত সত্য না জেনে বা জমির মালিক ও ভাড়াটিয়ার চুক্তিপত্র যাচাই না করেই এই অভিযোগ আনা হয়েছে।
তিনি সংবাদমাধ্যম ও তদন্তকারী সংস্থাকে সরেজমিনে তদন্ত করে মূল কারখানার মালিক ও প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করার আহ্বান জানান এবং একই সাথে এই বিভ্রান্তিকর সংবাদের অবসান ঘটাতে তিতাস কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন