খাইরুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ব্যর্থ, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি
এদিকে নিজের বিরুদ্ধে আনা এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন খায়রুল ইসলাম সজীব। একই সাথে সংবাদমাধ্যমের কর্মী ও সাংবাদিক ভাইদের প্রতি উস্কানিমূলক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিহার করে সমাজ ও রাষ্ট্রের সামনে সঠিক সত্যটি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে, রোববার দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় খাইরুল ইসলাম সজীবকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বিকেল ৫টায় তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হয় এবং পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
তবে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার বিরুদ্ধে আনা চাঁদাবাজির অভিযোগগুলো মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় সোনারগাঁয়ের স্থানীয় রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই ঘটনাকে একটি গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। একই সাথে, এই মিথ্যা অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে যুবদল থেকে যে বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়েছেন সোনারগাঁয়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
ষড়যন্ত্রমূলক এই পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হওয়ার পর এক বিবৃতিতে খাইরুল ইসলাম সজীব বলেন, আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যা চাঁদাবাজির নাটক সাজিয়েছিল, যা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিক ভাইদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকরা হলেন সমাজের দর্পণ। আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান, কোনো পক্ষের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা বিভ্রান্তিকর তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে, যেকোনো সংবাদের সত্যতা ও সঠিক তথ্যটি সাহসিকতার সাথে তুলে ধরুন। সত্যের জয় চিরকালই নিশ্চিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন