সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাসে জ্বলছিল ৪ চুন ভাটি, গুঁড়িয়ে দিল তিতাস
মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই অভিযানে দুটি অবৈধ চুন কারখানার চারটি ভাট্টি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের দৈনিক প্রায় ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের গ্যাস সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ তাবাসসুম হাসান তানিশা-র নেতৃত্বে মল্লিকপাড়া ও পিরোজপুর এলাকায় অভিযান শুরু হয়। এ সময় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন মেঘনা জোনের কর্তৃপক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।
কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই ৪টি ভাট্টির তৈরি করে অবাধে চুনা তৈরির কাজ চলছিল। এক্সক্যাভেটর মেশিনের সাহায্যে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয় এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় কারখানার চুল্লির আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, এই দুটি কারখানা প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৮,০০০ ঘনফুট গ্যাস অবৈধভাবে ব্যবহার করছিল। আজকের এই অভিযানের ফলে দৈনিক আনুমানিক ১,৬৩,১০০/- টাকার গ্যাস সাশ্রয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
কারখানার মালিকপক্ষকে ঘটনাস্থলে না পাওয়ায় কোনো জরিমানা বা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, মালিকদের অনুপস্থিতিতে আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিতাসের মেঘনাঘাট জোনাল অফিসের কর্মকর্তারা জানান, "গ্যাস চুরি রোধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। যারা অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন করছে, তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের ঝটিকা অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন