চুরি-ছিনতাই ও যানজটমুক্ত মোগরাপাড়া গড়তে এমপি মান্নানের বিশেষ উদ্যোগ
এমপি মান্নানের ইশতেহার অনুযায়ী জনদুর্ভোগ লাঘবে এই বিশেষ পদক্ষেপ। কাউকে না খেয়ে থাকতে হবে না, উচ্ছেদের আগে বিকল্প জীবিকার জন্য 'অস্থায়ী বাজার' নির্মাণের পরিকল্পনা। উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের রূপরেখা।
সাধারণত উচ্ছেদ মানেই হকারদের আহাজারি। কিন্তু ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উঠে এলো এক ভিন্নধর্মী সমাধান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত এবং সোনারগাঁ থানার ওসি মহিবুল্লাহর উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, হকারদের জীবিকা সচল রাখতে চৌরাস্তার পাশেই একটি সুশৃঙ্খল বাজার স্থাপন করা হবে। আমরা কেবল ফুটপাত দখলমুক্ত করতে চাই না, আমরা চাই একটি বাসযোগ্য সুন্দর সোনারগাঁ। হকাররা আমাদেরই অংশ, তাদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করেই মোগরাপাড়াকে যানজটমুক্ত করা হবে।
ফুটপাত দখলমুক্ত হলে মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। পথচারীরা ফুটপাত ব্যবহার করতে পারবেন, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি শূন্যে নামবে। মহাসড়কের সংযোগস্থলে বিশৃঙ্খল ব্যবসা বন্ধ হলে গাড়ির গতি বাড়বে। হকারদের আড়ালে থাকা চুরি ও ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে। চৌরাস্তার ঘিঞ্জি পরিবেশ দূর হয়ে একটি আধুনিক ও পরিষ্কার চত্বরে রূপান্তরিত হবে।
সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিএনপি নেতৃবৃন্দের এক বিশাল উপস্থিতি ছিল। মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আতাউর রহমান প্রধান, নিজাম উদ্দিন, সেলিম হোসেন দিপুসহ সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একমত পোষণ করেন যে, সোনারগাঁয়ের প্রবেশদ্বারকে সুন্দর করতে এই উদ্যোগের বিকল্প নেই।
মোগরাপাড়া চৌরাস্তার এই উদ্যোগ সফল হলে এটি হতে পারে সারা দেশের জন্য একটি মডেল যেখানে উন্নয়ন আর মানবিকতা হাতে হাত রেখে চলে। সাধারণ মানুষের এখন একটাই প্রত্যাশা, দ্রুত এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন দেখে মোগরাপাড়া আবার তার চিরচেনা স্বাভাবিক ছন্দ ফিরে পাবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন