শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সোনারগাঁয়ে ছিনতাইয়ের প্রতিবাদ করায় ৮ জনকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশঃ


নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ছিনতাইয়ের প্রতিবাদ করায় ৮ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে।  এ ঘটনায় সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আহত ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বাসাবো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ছিনতাইকারীরা ৫টি মোবাইল ও টাকা লুট করে নিয়ে যায়। 

ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় সাখাওয়াত হোসেন এবং মাছুম মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্যদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মীরেরটেক-মুছারচর সড়কের ইব্রাহিমের বাড়ির পাশ দিয়ে ফতেপুর দড়িকান্দি এলাকার আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে অভিযুক্ত ওবায়দুল হকের নেতৃত্বে সাত থেকে আটজনের একটি ছিনতাইকারী দল মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। 

একপর্যায়ে আলমগীর চিৎকার করে পার্শ্ববর্তী বাসাবো গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন।  সাখাওয়াত গ্রামের লোকজন নিয়ে ওবায়দুলের বাড়িতে গিয়ে ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধার করে।  একপর্যায়ে এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। 

পরে ওয়ায়দুলের নেতৃত্বে এমদাদুল, মাসুদ, মোস্তাফিজুর রহমান, ইলিয়াছ, ফাইজুল হক ও ইব্রাহিম দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাখাওয়াত ও তার বড় ভাই আওলাদ হোসেন, বসাবো বাইতুন নুর জামে মসজিদের সভাপতি মাছুম মিয়া ও তার ভাই মামুন মিয়া, অন্তর মিয়া, সানি মিয়ার ওপর হামলা করে। 

হামলাকারীরা তাদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে ৫টি মোবাইল ও নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। সাজু বেগম নামের এক নারীর শ্লীলতাহানিও করা হয়।

আহত আওলাদ হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওবায়দুলের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও চুরিসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হয়ে আসছে। রোববার রাতে এক ব্যবসায়ীর টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদ করায় ৮ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়।

সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিববুল্লাহ বলেন, হামলার ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন