পদ ফিরে পেতে পারেন যুবদল নেতা সজীব
গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না। তিনি বলেন, সজীবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে বর্তমানে দলীয়ভাবে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। তদন্তে তিনি যদি নির্দোষ প্রমাণিত হন এবং নিজে আবেদন করেন, তবে সংগঠন অবশ্যই তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে।
যুবদল সভাপতি স্পষ্ট করে বলেন, এখানে দলের ও রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত পরিষ্কার। কেউ এমপির ছেলে হোক কিংবা অন্য কোনো প্রভাবশালী, কেউই জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নন। তিনি আরও যোগ করেন, প্রশাসনের যাকে প্রয়োজন মনে হবে, তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ বা আইনের আওতায় আনতে পারে। সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় প্রশাসন তাকে ছেড়ে দিয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে কাউকে আটকে রাখা সম্ভব নয়।
সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন জানান, সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই অভিযোগ ওঠার পরপরই সজীবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এটি ছিল দলের একটি তাৎক্ষণিক শৃঙ্খলা ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুন (রোববার) চাঁদাবাজিসহ কয়েকটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে খাইরুল ইসলাম সজীবকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরদিনই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে একই দিনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
এই খসড়াটি আপনার পত্রিকার স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী আরও কিছুটা পরিমার্জন করে নিতে পারেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন