অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে ডাক্তারি পাস, সোনারগাঁয়ের গর্ব ফাতেমা করিম মীম
উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের রেজাউল করিম রাজা ও মুক্তি আক্তার দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে মীম দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই মেধার স্বাক্ষর রেখে আসা মীম ছিলেন অত্যন্ত বইপ্রেমী ও কৌতূহলী। মোগরাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর এইচএসসিতেও পান জিপিএ-৫। এরপর ঢাকার একটি স্বনামধন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে সফলতার সঙ্গে শেষ করেন এমবিবিএস।
বুধবার সকালে পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ পেলে আনন্দে মেতে ওঠেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
মেয়ের এই অনন্য অর্জনে আবেগাপ্লুত বাবা রেজাউল করিম রাজা জানান, তাঁর মেয়ে ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিল। আজ মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন সত্যি হওয়ায় একজন বাবা হিসেবে তাঁর আনন্দের শেষ নেই।
গর্বিত মা মুক্তি আক্তার বলেন, মীম ছোটবেলা থেকেই পড়ার প্রতি ভীষণ অনুরাগী ছিল। সময় পেলেই সে বইকে আপন করে নিত। সন্তানের এই একাগ্রতাই আজ তাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে উল্লেখ করে তিনি মেয়ে যেন একজন সৎ ও মানবিক চিকিৎসক হতে পারেন, সেজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
সদ্য চিকিৎসক হওয়া ফাতেমা করিম মীম তাঁর এই সাফল্যের পেছনের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, বাবা-মায়ের নিরলস সমর্থন এবং শিক্ষকদের পথপ্রদর্শন ছাড়া এই কঠিন পথ অতিক্রম করা সম্ভব হতো না। ডাক্তারি কেবল একটি ডিগ্রি নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি বড় দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, সারাজীবন যেন সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবায় নিজেকে নিষ্ঠার সঙ্গে নিয়োজিত রাখতে পারেন, সেটাই তাঁর মূল লক্ষ্য।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন